প্রেমের টানে মালয়েশিয়ার তরুণী এখন চাঁদপুরে

বর্তমান ডিজিটাল যুগে প্রেমের কারনে সংবাদ শিরোনাম হয়ে থাকেন প্রেমিক-প্রেমিকা যুগল।  সম্প্রতি চাঁদপুর হাজীগঞ্জের যুবক ওমর ফারুকের প্রেমের টানে সুদূর মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশে পাড়ি জমিয়েছেন এক তরুণী। 

শুধু এমন একটি উদাহরণ নয় বাংলাদেশে এরকম অসংখ্য উদাহরণ রয়েছে নিজ দেশ ছেড়ে বাংলাদেশের মেয়েদের উদ্দেশ্যে, আবার বাংলাদেশের ছেলেদের উদ্দেশ্যেও বাংলাদেশে আসতে শোনা যাচ্ছে। 

কেন মালয়েশিয়ার তরুণী এখন চাঁদপুরে

প্রেমের টানে ভিনদেশিকে বিয়ে করছেন অনেকে এবং পছন্দমত জীবনের সঙ্গী নিয়ে অনেকে সংসার করছেন। কয়েক বছর পূর্বে এই ধরনের খবরটি খুব বেশি শুনা না-গেলেও বর্তমানে হরহামেশাই প্রেমিক যুগলের বাংলাদেশে প্রেমের টানে ছুটে আসার গল্প শোনা যাচ্ছে সংবাদমাধ্যমে। 

20 বছরের মালয়েশিয়ান তরুনীর নুর আয়েশাও এমন একটি ঘটনার জন্ম দিয়েছেন চাঁদপুরের হাজীগঞ্জের ছেলের ওমর ফারুকের প্রেমে হাবুডুবু খেয়ে, নিজ দেশ ছেড়ে এখন চাঁদপুর এসেছেন।

ইতিমধ্যে চাঁদপুরের ছেলে ওমর ফারুকের সঙ্গে ধর্মীয় নিয়ম-নীতি মেনে বিবাহ সম্পন্ন হয়েছে। চাঁদপুর সদর উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের বড় শাহাতলী চৌধুরী বাড়ির মৃত কামাল হোসেনের বড় ছেলে ওমর ফারুক বিগত সাত বছর আগে চাকরির সুবাদে মালয়েশিয়ায় প্রবাস জীবন কাটিয়েছেন। 

প্রবাস জীবনে থাকাকালীন সময়ে নুরে আয়েশার সঙ্গে ওমর ফারুকের ফেসবুকে পরিচয় হয়। তবে প্রবাস জীবনের ইতি টেনে গত চার মাস আগে অমার ফরুক বাংলাদেশের চলে আসেন। চার মাস প্রিয় মানুষটিকে কাছে না পেয়ে 14 সেপ্টেম্বর পরিবারের সদস্যদের (মা, বড় ভাই ও বড় ভাইয়ের স্ত্রীক) নিয়ে বাংলাদেশে আসেন নুরে আয়েশা।   

বর্তমানে মালয়েশিয়া প্রবাসী ওমর ফারুক হাজীগঞ্জ পৌরসভা দিন মালিক আবার 6 নং ওয়ার্ডের একটি ভাড়া বাসায় থাকেন।  

15 সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার রাতে প্রেমের টানে ছুটে আসা নুরে আয়েশা ধর্মীয় নিয়ম নিতি মেনে ওমর ফারুকের সঙ্গে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন, এতে উভয় পরিবারের সদস্যরাও খুশি। 

ওমর ফারুক সাংবাদিকদের বলেন সত্যি-কারের ভালোবাসা কোনো বাধা মানে না। ওমর ফারুক এর ভাষ্যমতে মালয়েশিয়ান তরুণী এখন একটি মালয়েশিয়ান ইউনিভারসিটিতে পড়ছেন এবং চাকরিও করছেন। 

নুরে আসা বলেন দেশে ফিরে দুজনের নতুন ভাবে তাদের ক্যারিয়ার শুরু করবেন। 

ভিনদেশী বৌ সম্পর্কে ওমর ফারুকের মায়ের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন সে বাংলা ভাষা শিখার চেষ্টা করছে যাতে আমাদের সঙ্গে কথা বলতে পারে। এছাড়াও নুরে আয়েশার পরিবার বাংলাদেশে এসে খুবই আনন্দিত তারা বাংলাদেশের ইমিগ্রেশন ব্যবস্থার অনেক প্রসংসা করেছেন।

নুরে আয়েশার মা ওমর ফারুকের শাশুড়ির মতে বাংলাদেশের ফুচকা তার কাছে খুবই পছন্দের জিনিস, তিনি ফুচকা নিয়ে যাবেন সেখানে, গিয়ে সকলের সাথে মজা করে খাবেন এমনটিও সংবাদমাধ্যমকে জানান।

পুলিশের অনন্য নজির, দেখল বাংলাদেশের জনগণ

ভালোবাসা বেঁচে থাকুক চিরকাল, ভালোবাসার সম্পর্ক টিকে থাকে এই প্রত্যাশা আমাদের সকলের। ভালোবাসার মানুষের প্রতি যথার্থ সম্মান প্রদর্শন করলে তবেই ভালোবাসা চিরকাল বেঁচে থাকবে।

Leave a Comment